Breaking News

Who এর বিরুদ্ধে আবার সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ! Who এর সাথে চীনের যোগসাজশ আছে বলেই মন্তব্য করেন তিনি

করোনার এই মহামারির জন‍্য শুরু থেকেই চীনকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোভিড-১৯ ভাইরাস কে তিনি বারবার চাইনিজ ভাইরাস বা উহান ভাইরাস বলেই সম্বোধন করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প কে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এর কারন জিজ্ঞেস করায় তিনি জানিয়েছেন, “চীন থেকে ছড়িয়েছে তাই এটি চাইনিজ ভাইরাস।” এবং প্রথম থেকেই তিনি তার কথায় অনড় ছিলেন।
এরপর হু(ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন)এর পক্ষ থেকেও ওনাকে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই এই ভাবে চীন কে দোষারোপ করতে না বলা হলে তিনি হু-এর কার্যকলাপের উপর ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।  তিনি বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে জানান যে এই ভাইরাস ছড়ানোর হয়েছে উহানের বায়োসেফটি ল‍্যাবে রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরীর সময়ই এই বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিই দায়ী এই মহামারীর।মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও, আগামী নির্বাচনে তাঁকে হারানোর জন্যই করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রথমে লুকিয়ে রেখেছিল বেজিং।
করোনাভাইরাস সংক্রমণে আমেরিকায় মারা গিয়েছেন কমপক্ষে ৬০ হাজার মানুষ। মার্কিন অর্থনীতিতে গভীর মন্দা দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার ভোটে জেতা মুশকিল হবে। বস্তুত এই ঘটনার জন‍্য চীনকে কেন জবাব দিতে হচ্ছে না হু এর কাছে তা নিয়ে সরব হয়েছন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান হু এখন চীনের পাইপগান হয়ে গেছে। চীনের সাথে মিলে বহু তথ‍্য হু লুকোচ্ছে।
বার বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেও করোনা সংক্রমণ রুখতে এবং এর উৎস কোথা থেকে তা খতিয়ে দেখছে না হু, বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান প্রতি বছর আমেরিকার করদাতাদের পক্ষ থেকে হু-কে ৪০-৫০ কোটি ডলার দেওয়া হয়। সেই তুলনায় চিন দেয় মাত্র ৪ কোটি ডলার।তিনি জানিয়েছেন যে চীনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণও আছে তার কাছে কিন্তু এখনই তা সামনে আনবেন না। তবে করোনা প্রতিরোধের জন‍্য সঠিক কোন গাইডলাইন হু এর থেকে পাওয়া যায় নি‌।
তথ‍্যসূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে আমেরিকায় প্রায় ৬৩০০০ এর বেশী লোকের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। অনেকেই দাবী করছেন যে নিজের দেশে করোনা মোকাবেলায় ব‍্যর্থ হয়েই আমেরিকা হু বা চীনের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে।
কিন্তু ট্রাম্প জানিয়েছেন হু এর থেকে অন্তত এটা বলা উচিত ছিল যেন চীনের সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করা হয়,হু এরকম কোন কিছুই বলে নি, ট্রাম্প নিজেই হু এর কথা না মেনে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করেছেন যাতে ক্ষতি না হয় আর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *