Breaking News

ঘুরে আসুন মেঘালয় মোঘোটাক। অপরুপ প্রকৃতি আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

সামনে-পেছনে, ডানে-বামে যতদূর চোখ যায় শুধু সারি সারি পাহাড়। মোঘোটোক সেতুর সামনে। সেতুটির এক পাশে পাহাড়ের বুক চিরে অবিরাম ধারায় ঝরছে পাহাড়ি ঝরনা। আকারে ছোট, কিন্তু সুন্দর। খরস্রোতা পাহাড়ি নদী হয়ে সেই ঝরনার পানি সেতুটির নিচ দিয়ে ছুটে চলেছে সমতলের খোঁজে। পাহাড়ের সারির গায়ে সূর্যের আলোতে আর মেঘের ছায়ায় লুকোচুরি খেলা। কোথাও জমে আছে থোকা থোকা সাদা মেঘ। মন শান্ত করা পরিবেশ।

সেতুর গোড়ায় সুন্দর সিঁড়ি করা। পর্যটকরা চাইলে অনেক নিচ পর্যন্ত নামতে পারেন। কাছ থেকে উপভোগ করতে পারেন পাহাড়, ঝরনা আর নদীর সৌন্দর্য।  পাহাড় দেখতে দেখতে গরম চায়ের কাপে চুমুক । ঝির ঝির বৃষ্টি আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করে। মোঘোটোক সেতু নাকি বেশ বিখ্যাত। কেননা এখানেই কোরবান নামক হিন্দি সিনেমার কোনো একটি বিখ্যাত গানের দৃশ্যায়ন হয়েছে।

 

মেঘালয়ের পাহাড়ি আঁকা-বাঁকা রাস্তা আমাদের নিয়ে গেছে অনেক জায়গায়। পুরো পথই এতো সুন্দর যে বারবার থামতে ইচ্ছে হয়। মেঘ, পাহাড়, উপত্যকা, নদী আর ঝরনার পাশাপাশি আছে সবুজ জঙ্গল। সেখানে অসংখ্য প্রজাতির বৃক্ষরাজি, নানান বর্ণের ফুলের সমাহার।
এখানেই শেষ নয়। মেঘালয়ের পাহাড় চুনা পাথর আর কয়লাসহ নানা রকম পাথরের খনি। পাহাড় কেটে পাথর সংগ্রহ করা এখানকার অন্যতম জীবিকা। চাষাবাদের প্রচলন খুব কম। চলার পথে থেকে থেকে তাই চোখে পড়ছিল সাদা রঙের পাহাড়। চুনা পাথরের জন্য খুঁড়তে খুঁড়তে সেগুলো নানা রকম অদ্ভুত আকৃতি ধারণ করেছে।
সবুজে ঢাকা পাহাড়গুলোও পাথরের খনি। সেগুলোর বুক চিরে বের হয়ে আছে নানা আকৃতির কালো পাথর। সিলেট-মেঘালয় সীমান্তে পাথর উত্তোলনের যে জমজমাট কারবার সেগুলোর উৎস এখানেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *