Breaking News

ছুটি আছে ? ব্যাগ গুটিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন লাটপাঞ্চারের উদ্দেশ্যে। ছুটিটা বেকার যাবে না

এই গরমে আপনার বেড়াতে যাওয়ার আদর্শ জায়গা হতে পারে লাটপানচার। শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরের এই ছোট্ট গ্রামে গরমের একটা উইকেন্ড অন্তত কাটিয়ে আসাই যায়। মহানন্দা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারির সবচেয়ে উঁচু জায়গাটা হল লাটপানচার। তিস্তার অপূর্ব ভিউ, সিঙ্কোনার বাগিচা আর বহু রকমের পাখি চোখে পড়বে এখানে গেলে। হর্নবিল, বার্ন সোয়ালো, সুলতান টিট-সহ আরও অজস্র পাখি। লাটপানচারে গিয়ে ইয়াব্বড় ক্যামেরা-সমেত ছবি শিকারীদের দেখা পাওয়াটাই স্বাভাবিক। স্থানীয় গাইডের সাহায্য নিলে বার্ড স্পট করতে সুবিধে হবে আরও। স্যাংচুয়ারির আনাচে কানাচে পায়ে হেঁটে ঘুরলেই চোখে পড়বে নানা ধরনের পাখি।

কাছেই মংপু। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটা দেখে আসতে পারেন এখান থেকে। লাটপানচারের খুব কাছেই চটকপুর গ্রাম। মাঝে একটা দিন ঘুরে আসতে পারেন সেখান থেকেও। লাটকোঠি, নামথিং পোখরি, মানা হিল্‌সও অবশ্যই ঘুরে আসবেন এখানে গেলে। এছাড়া পাঁচ কিলোমিটার মতো দূরের অহলদারাতেও যান অনেকে। সেখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ অসাধারণ! তিস্তারও। পাহাড়ের সবুজ চোখ জুড়িয়ে দেয়। সবুজে মোড়া চারদিক আর পাহাড়ের ঢালে ছোট ছোট বাড়িগুলো দেখলে মনে হবে, বাকি জীবনটা বোধহয় সেখানেই কাটিয়ে দেওয়া যায়! হাঁটাহাঁটির অভ্যেস থাকলে জঙ্গলের মধ্যেই ছোট ছোট ট্রেক সেরে ফেলুন। ঘন শাল আর পাইন বনের পথ ধরে মর্নিং ওয়াক করতেও দারুণ লাগবে। অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মধ্যেই লাটপানচার যাওয়ার সেরা সময়। গরমকালে গেলে বিকেলের দিকে একটু বৃষ্টি পেতে পারেন।

কীভাবে যাবেন: নিউ জলপাইগুড়িগামী যে কোনও ট্রেনে চেপে বসুন। এখান থেকে লাটপানচার মাত্র ঘণ্টাদেড়েকের রাস্তা। কালিঝোরার পর থেকে চড়াই রাস্তাটা একটু খারাপ পেতে পারেন। গাড়ি ভাড়া করে নিন নিউ জলপাইগুড়ি থেকেই।

কোথায় থাকবেন: পদম গুরুংয়ের হর্নবিল নেস্ট হোম স্টে থাকার ভাল জায়গা। এছাড়াও অন্য হোম স্টে রয়েছে। ওয়েবসাইট দেখে আগে থেকে বুকিং করে রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *