Breaking News

ছোট বড় মাঝারি সমস্ত নতুন পুরোনো সংস্থাকেই পথ দেখাচ্ছে সি আই আই। বাংলার বুকে নতুন ব্যাবসা উদ্যোগপতিরা সাড়াও দিচ্ছেন

কর্পোরেট দুনিয়ার মুশকিল -আসান হয়ে স্টার্ট-আপগুলির লক্ষ্মী লাভের পথ খুলে দিচ্ছে বণিকসভা সিআইআই। আর এই যাত্রা শুরু হচ্ছে কলকাতা থেকেই।
প্রকল্প অনুযায়ী, ওই পোর্টালে বড়-মাঝারি সংস্থাগুলি তাদের সমস্যা জানাবে। যার সমাধান সূত্র খুঁজবে স্টার্ট-আপগুলি। এবং বাতলে দেওয়া সেই সূত্রের হাত ধরেই ক্রেতা পাওয়ার সুযোগ খুলবে তাদের সামনে।

স্টার্ট-আপগুলিকে পোর্টালটি বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতেও সাহায্য করবে। সিআইআইয়ের সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় জানান, বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় নতুন উদ্যোগে প্রকল্পের মূল ভাবনা মৌলিক, কিন্তু তার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা শূন্য। এই পোর্টালে দেওয়া সমস্যাগুলি খতিয়ে দেখে কাজের আসল জায়গাটা বুঝতে পারবে তারা। কারণ, বাস্তবের সঙ্গে ভাবনার মিলমিশের অভাবই সাধারণত পুঁজি পাওয়ার পথে বাধা হয়। উদ্যোগ পুঁজি সংস্থাগুলিরও দাবি, লাভের আশা পূরণ না-হওয়ার ভয়ে লগ্নিকারীরা হালে সতর্ক হচ্ছেন। যে কারণে প্রথম দফার লগ্নির অঙ্ক ২০১৫ সালের থেকে ২০১৬-তে ৬৫% কমেছে।

বস্তুত, মেধা, ব্যবসার পরিকল্পনা ও পুঁজির মেলবন্ধন ঘটায় উদ্যোগ পুঁজি সংস্থা। কিন্তু বাজার গড়ে দেয় না। ভারতে মাইক্রোসফট্ ভেঞ্চার্সের এক কর্তার মতে, নতুন শিল্পোদ্যোগীর স্বপ্ন সেখানেই আটকে যায়। তিনি বলেন, “বাজার বড় চাই। চাই নতুন প্রযুক্তি নেওয়ার মতো ক্রেতা।’’
এই ঘাটতি পূরণেই সিআইআই কলকাতা থেকে চালু করছে প্রকল্পটি। তবে অন্য শহরের স্টার্ট-আপও তাতে যোগ দিতে পারে। বণিকসভা সূত্রে খবর, টাটা, আইটিসি-সহ কিছু সংস্থা সমস্যার সমাধান সূত্র চেয়েওছে। সন্দীপনবাবু জানান, পুঁজি টানার চেয়েও ব্যবসা পাওয়ায় বেশি জোর দিচ্ছে পোর্টাল। তাই কোন স্টার্ট-আপ কত বেশি মুশকিল-আসান করল, তার ভিত্তিতেই মূল্যায়ন হবে তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *